লাইনের উপরে কোন পশুপাখি বা মানুষ চলে এলেও কেন ব্রেক কষেন না ট্রেনচালক? জেনে নিন আসল কারণ!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-যতই আমরা উন্নত হচ্ছি ততই বাড়ছে বিভিন্ন জায়গার যোগাযোগ ব্যবস্থা। একথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যে আগেকার যুগে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ছিল না বললেই চলে। যদি বা ছিল সেগুলো অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। কিন্তু সেই সময় হাতের মুঠোতে। দূরত্বকে হার মানিয়েছে বর্তমানের এই প্রযুক্তি ব্যবস্থা। কিন্তু তবুও প্রযুক্তির যাঁতাকলে পড়ে মানুষ বোধবুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। যার ফলে দেখা যায় একাধিক দুর্ঘটনা ।আজকের এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে যে ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে সেই ঘটনা সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে কমবেশি প্রত্যেকে।

রেললাইনে দুর্ঘটনা কথা হয়তো আমরা অনেকেই শুনেছি বা চাক্ষুষ দেখেছি কিন্তু এই ঘটনার সাথে সাথে আমাদের প্রত্যেকের মনেই হয়তো এমন টা প্রশ্ন আসে যে চালক দেখা সত্বেও কেন ট্রেন থামিয়ে দেয় না ট্রেন লাইনের উপর যদি কোন পশুপাখি জন্তু-জানোয়ার বা মানুষ থাকে তাহলে কেন চালক ব্রেক কষে ট্রেন থামে না এমনটা প্রশ্ন হয়তো অনেক কি করতে শোনা যায় তবে এর একটা যৌতিকতা রয়েছে তার পাশাপাশি রয়েছে বিশালগড় একটা কারণ আমাদের প্রত্যেকের হাতের নাগালের বাইরে ।

এমনটা জানানো হচ্ছে যে যদি কোন ট্রেন ঘন্টায় একশো কুড়ি কিলোমিটার বেগে চলে এবং তাকে যদি কোনো কারণে এমার্জেন্সি ব্রেক করতে হয় তাহলে অন্তত ন্যূনতম ৯০০ মিটার দূরত্ব প্রয়োজন ।হয় কিন্তু ৯০০ মিটার দূরত্বে থেকে সামনে কি রয়েছে তা ট্রেন চালকের পক্ষে দেখা সম্ভব না । অপরদিকে ৮০ কিলোমিটার বেগে থাকে তাহলে ট্রেনে বসার জন্য অন্তত ৭৫০ মিটার দূরত্বের প্রয়োজন হয় ।এত দূর থেকেও ট্রেনের চালক এর পক্ষে দেখা সম্ভব নয় যে আগে রেললাইনের উপর কি রয়েছে ।

তাই যখন হঠাৎ করে ট্রেনচালক সামনে কিছু দেখতে পায় তখন তার কাছে উপায় বলতে ট্রেনের হর্নের ছাড়া আর কিছুই থাকে না । এতে মানুষ পশু-পাখি জন্তু-জানোয়ার কে সতর্ক করতে পারে এ বেশি কিছু করা যেতে পারে না । তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ট্রেনের চালকেরা হর্ন বাজিয়ে সতর্ক করার চেষ্টা করেন বিশেষ ক্ষেত্রে রাত্রে বেলাতে এই ধরনের দৃশ্য বেশিরভাগ দেখা যায় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button