মায়াপুর ইসকন ঘুরতে চান? দেখে নিন কিভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এবং কত খরচ পড়বে! রইল সম্পূর্ণ তথ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-ভ্রমণপিপাসু বাঙালি এখন ব্যাগ গোছাতে শুরু করেছেন। কারণ সময়টা শীতকাল। এক সময় পিকনিক থেকে শুরু করে ভ্রমণে যাত্রার প্রবণতা বাঙ্গালীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় ব্যাপক পরিমাণে ।সেটা হতে পারে দার্জিলিং হতে পারে বা পুরি হতে পারে। তবে দীঘা দার্জিলিং বাদ দিয়ে যদি আপনি কম খরচে একদিন কিংবা দু দিনের জন্য কোথাও ঘুরে আসতে চান তাহলে হতে পারে মায়াপুর নবদ্বীপ সেই জায়গা।

আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা সংক্ষিপ্তভাবে ট্যুর গাইড তুলে ধরার চেষ্টা করব।মায়াপুর নবদ্বীপের অবস্থিত ভাগীরথী নদীর পশ্চিম পাড়ে গড়ে উঠেছে এটি এবং এশিয়ার সবথেকে বড় ইসকন মন্দির হতে চলেছে এটি আগামী সময়ে। এখনো পর্যন্ত সবথেকে ভালো দর্শনীয় স্থান পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে মায়াপুর।

শ্রী চৈতন্য দেবের ভক্তদের খুব পছন্দের জায়গা হচ্ছে তবে যেকোন মানুষ এখানে ভ্রমণ করতে পারে বছরে যেকোনো সময় এসে এর দর্শনীয় স্থান গুলো উপভোগ করতে পারে। এখানে প্রচুর আশেপাশে থাকা জায়গা যেখানে আপনি স্বল্পমূল্য থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় মূল্যের সমস্ত রকমের ঘর ভাড়া পেয়ে যাবেন পাশাপাশি ভোগ বিতরণ থেকে শুরু করে খাবার দাবার অত্যন্ত আকর্ষণীয় এখানকার ।তবে এই মায়াপুর ইসকন সম্পর্কে একটি ছোট্ট ইতিহাস রয়েছে যা তুলে ধরার চেষ্টা করা হলো এই প্রতিবেদনে।

বাংলায় সেন রাজাদের আমলে নবদ্বীপ ছিল বাংলার রাজধানী। লক্ষণ সেন গৌড় থেকে তার রাজধানী সরিয়ে আনেন নবদ্বীপে। ১২০৬ সালে লক্ষণ সেনের আমলে বখতিয়ার খিলজি নবদ্বীপ জয় করেন ও তখন থেকেই বাংলায় প্রথম মুসলিম শাসন শুরু হয়। তখন নবদ্বীপ ছিল বাংলার শিক্ষালাভের প্রধান পীঠস্থান।

শ্রী চৈতন্য দেব এই নবদ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। শ্রীচৈতন্য দেবের জন্ম ভিটা নিয়ে দ্বিমত থাকলেও নবদ্বীপে বর্তমানে ১৮৬ টি মন্দির আছে ও সব গুলিতেই ভজন ও কৃষ্ণনাম হয়। এই মায়াপুর ইসকনের আসতে গেলে অতি অবশ্যই আপনি বাস-ট্রেন কিংবা প্রাইভেট কারে আসতে পারেন ।বিমান নিয়ে আসতে গেলে কাছাকাছি কোন বিমানবন্দর নেই তবে কলকাতা বিমানবন্দর কে আপনি ব্যবহার করতে অবশ্যই পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button