জঙ্গলে একসাথে 5টি বিশালাকার সাপ ছাড়তে গিয়ে চরম বিপদে পড়লেন যুবক! মুহূর্তের ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:ইন্টারনেট জগতের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই বহির্বিশ্বের সাথে সংযোগ রক্ষা করতে পারি। যার ফলস্বরুপ বিভিন্ন জায়গায় আমরা মুঠোফোনের মাধ্যমে পৌছে যাই মুহূর্তের মধ্যে।আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন এর মাধ্যমে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু উপকারিতা এবং অপকারিতা জানার পাশাপাশি এমন কিছু ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আলোচনা করবো যা মানুষকে অবাক করে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত সোশ্যাল মিডিয়ার উপকারিতা বলতে প্রথমেই বোঝা যায় নেট মাধ্যম এর ফলে আমরা খুব সহজেই নানান ধরনের ভাইরাল ফটো বা ভিডিও দেখতে পারি।

বর্তমানে ইন্টারনেট এতটাই শক্তিশালী হয়ে গিয়েছে যে আমরা যে কোনো গণমাধ্যম এর আগে প্রয়োজনীয় খবরাখবর সোশ্যাল মিডিয়ায় পেয়ে যাই। এর আগেও আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান ধরনের সাহায্য পেয়েছি। যেমন অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে নিজেদের প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে থাকেন।

অপকারিতা বলতে দিন— দিন সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের এক প্রকার আসক্তিতে পরিণত হচ্ছে। যার ফলস্বরুপ অনেক মানুষ নিজেদের পারিবারিক এবং সামাজিক জীবন থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন।

শুধুমাত্র তাই নয় টিনেজার এবং অনেকের মধ্যেই মানসিক অবসাদ এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে। এক গবেষণায় চিকিৎসকেরা এই কথাটিকে সম্পূর্ণরূপে স্বীকার করেও নিয়েছেন।

সাপ সংক্রান্ত যেকোন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে। সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মুরলিওয়ালে হৌসলা নামের এক সর্পরক্ষক যুবক একটি জঙ্গলের মধ্যে একটি বড় অজগর, চন্দ্রবোড়া এবং পাঁচটি কোবরা সাপ উদ্ধার করার পর মুক্ত করে দিতে গিয়েছেন।

প্রথমদিকে সাপগুলিকে মুক্ত করার সময় অজগর সাপ টি তাকে ছোবল দেবার চেষ্টা করেছিল। যদিও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই ব্যাপারটিকে আটকে দেন ওই ব্যক্তি। প্রসঙ্গত স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এই সাপগুলিকে উদ্ধার করেছেন তিনি। সাধারণত এই সব বিষধর সাপ কে অনেকেই মেরে দিয়ে থাকেন।

কিন্তু তাদের প্রাণ বাঁচানোর জন্যই এভাবে সাপ উদ্ধারের কাজ করে থাকেন অনেকে। ওই যুবকের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখান থেকেই এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন তিনি।প্রায় 6 মিলিয়নের কাছাকাছি মানুষ এই ভিডিওটি দেখে নিয়েছেন এবং 75 হাজার মানুষ এটিকে পছন্দ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button