রেশন কার্ড ও ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্প নিয়ে 3 টি বিরাট বড় ঘোষণা করলো রাজ্য! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-একাধিকবার বিভিন্ন ধরনের নিয়ম পরিবর্তন করেছে এবং সেই সমস্ত নিয়ম রেশন সংক্রান্ত হয়েছে বেশিরভাগ ।কারণ সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা এবং অভিযোগ প্রতিনিয়ত দখল করেছে খবরের শিরোনাম ।এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর অনুপ্রেরণায় ব্যবস্থা নিয়ে একটি নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হলো এবং এই সিদ্ধান্ত গুলি কি কি সেটা এক নজরে দেখে নিন।

রেশন সংক্রান্ত যে সমস্ত আপডেটগুলি আনা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো সেটি হল হোয়াটস্যাপ নাম্বার। এই দিন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার চালু করার কথাও ঘোষণা করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন , এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে কে রেশন পেলেন,কে পেলেন না, কার আধার ও রেশন কার্ড লিঙ্ক করা বাকি আছে, রেশন সামগ্রীর গুণগত মান কেমন ইত্যাদি নানান অভিযোগ করা যাবে।

ঐদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খাদ্যসাথী-আমার রেশন মোবাইল” এই অ্যাপের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে কোনো গ্রাহক রেশন সংক্রান্ত যাবতীয় আবেদন করতে পারবেন। এই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারটি হল 9903055505
. কেন্দ্রীয় সরকার রেশন দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ ঘটনা আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জেনেছি। পাশাপাশি রেশন দোকানে আরো অত্যাধুনিক কাজকর্ম করার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার ।

কি কি কাজ জেনে নিন বিস্তারিত। মানুষকে নিরবিচ্ছিন্ন পরিষেবা প্রদান করার জন্য এবং রেশন দোকান গুলোকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার সেখানে যেমন রয়েছে ছোট 5 কেজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার কথা ঠিক তেমনি রয়েছে বিদ্যুতের বিল আধার কার্ড প্যান কার্ড সবকিছু জমা দেওয়ার কথা।

একদম কোন গল্প রুপকথা নয় বাস্তবায়িত হতে চলেছে আর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের সাথে এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে বৈঠক করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

. সম্প্রতি আমরা এমন টা জানি যে রেশন কার্ডের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক করার একটা প্রক্রিয়া প্রতিনিয়ত দেশের মধ্যে চালু করা হয়েছে ।এবং এই পদ্ধতির মাধ্যমে যে কোন ভারতীয় নাগরিক ভারতবর্ষের যেকোনো জায়গা থেকে রেশন কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবে। ইতিমধ্যে প্রায় 70% রেশন কার্ডের সাথে আধার কার্ডের লিঙ্ক করা হয়ে গেছে ।

কিন্তু যত দ্রুত এগোচ্ছে তত ভুয়ো রেশন কার্ডের সন্ধান পাওয়া গেছে। সূত্র জানায় প্রায় 14 লক্ষ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে অর্থাৎ থেকে রাজ্য সরকারের প্রতি মাসে প্রায় 4 কোটি টাকা খরচ বেঁচে যাবে। কারণ রাজ্যবাসীকে এক কেজি চাল দিতে রাজ্য সরকার 28 টাকা খরচ হয় । সেই হিসাব মত 14 লক্ষের জন্য যে টাকা বাঁচবে তার পরিমাণ দাঁড়াবে 4 কোটি টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button