ফের কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে ৫০০ টাকা সবার ব্যাংক একাউন্টে, ভাইরাল হওয়া খবরের আসল সত্যতা জানুন!

ফের কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে ৫০০ টাকা সবার ব্যাংক একাউন্টে, ভাইরাল হওয়া খবরের আসল সত্যতা জানুন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী আসনে বসার পর থেকে নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সরকার গোটা ভারতবর্ষের মানুষের জন্য বেশকিছু জনহিতকর কাজ কর্ম করে গেছে যার ফলে নিম্ন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ উপকৃত হয়েছে । এবং সেই সমস্ত কাজ গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হল জন ধন যোজনা । এই প্রকল্পের আওতায় বাড়ির মহিলাদেরকে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে লন্ডনের সময় আমরা তার প্রমাণ পেয়েছি হাতেনাতে ।

এই প্রকল্পের আওতায় যারা জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তাদের প্রত্যেকের একাউন্টে প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ল-কডা-উন এর সময় নরেন্দ্র মোদী ভারতকে আত্মনির্ভর হবার ডাক দিয়েছিলেন । দেশি পণ্য ক্রয় করা দেশি পণ্য ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন দেশবাসীর কাছে । তার পাশাপাশি আত্মনির্ভর হতে বলেছিলেন দেশের মহিলা বা নারী সম্প্রদায়কে। এবং তারই এক ধাপ আগে থেকে পূরণ করার জন্য এই প্রকল্প এমনটা আপনি বলতে পারেন । তবে সম্প্রতি জন ধন প্রকল্পের টাকা নিয়ে একটি বিশেষ খবর ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাচ্ছে যেখানে জানানো হচ্ছে যে ২০২১ সালের প্রতিমাসে মহিলাদের একাউন্টে টাকা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার ।

ইউটিউবে সম্প্রচারিত হওয়া সেই সমস্ত ঘটনাবলি সত্যতা যাচাই না করে মানুষ অন্ধের মত বিশ্বাস করেছে । কিন্তু বর্তমানে উন্নত সভ্যতার এই ধরনের ভুল কাজ মোটেও কাম্য নয় শিক্ষিত সমাজের থেকে । আপনি যদি গুগলে গিয়ে সার্চ করেন এই বিষয়ে তাহলে দেখতে পাবেন যে যতগু-লি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেগুলি আগের বছরে অর্থাৎ ২০২০ সালের নতুন বছরে অর্থাৎ ২০২১ সালে কোন রকম কোন বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। অর্থাৎ এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভুল হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেল করতে ।

এর পাশাপাশি আপনি যদি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এর টুইটার অ্যাকাউন্টে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন সেখানে নতুন কোন বিজ্ঞপ্তি জা-রি করা নেই এই বিষয়ে । আমরা জানি যে নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে যে সমস্ত বিজ্ঞপ্তিগু-লি সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয় সেগুলি নির্মলা সীতারামন এর টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকেই শেয়ার করা হয় বা পোস্ট করা হয় ।কাজেই তার অ্যাকাউন্টে যখন এ ধরনের কোনো তথ্য নেই তখন এমনটা নিশ্চিত ভাবে বলা যেতেই পারে যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের খবর ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়াচ্ছে কোন এক সম্প্রদায় ।


Leave a Reply

Your email address will not be published.