জেনে নিন অল্প বয়সে কোটিপতি হওয়ার সব থেকে সহজ উপায়গুলি! রইল ভিডিওসহ বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এদেশে প্রচুর মানুষ আছে যারা কাজ ফেলে মন দিয়েছে ব্যবসায় । এবং একসময় সফলতা পেয়েছে । অবশ্যই পেয়েছে । ব্যবসার কথা বললেই প্রথমে চিন্তা মাথায় আসে সেটা হল পুঁজি। মোটা অংকের একটা পুঁজি লাগবে তবে মিলবে ভালো ব্যবসা । কিন্তু আপনি খুব অল্প সময়ে কোটিপতি হতে পারেন । আপনার বয়স যদি কুড়ি থেকে ২২ বছর হয় তাহলে বিভিন্ন ধরনের ইচ্ছা মত প্রবণতা আপনার মনে প্রতিনিয়ত জন্ম নিতে থাকবে ।

যেমন ধরুন রাস্তার পাশ দিয়ে যদি কোন খাবারের দোকান আপনারা দেখতে পান তাহলে ইচ্ছে করবে যে পকেটের টাকা আছে সেটা দিয়ে অন্তত একদিনের জন্য বিলাসবহুল জীবনযাপন করা যেতেই পারে । এ ধরনের চিন্তা আপনাকে আর নিচের দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে । কিন্তু যদি আপনি এমন চিন্তা ভাবনা করেন যে যতটুকু আপনার পেট ভরার জন্য দরকার ততটুকু খাবার খাওয়ার পর অতিরিক্ত টাকা যদি আপনি প্রতিনিয়ত জমাত থাকেন তাহলে কিন্তু ভবিষ্যতে একটা মোটা টাকার অধিকারী আপনি হতে পারেন ।

এর পাশাপাশি সেই টাকা দিয়ে কিভাবে আরো দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা করা যেতে পারে তা নিয়ে আজকের প্রতিবেদন  খুব সাধারণ একটা উদাহরন দিয়ে যদি আপনাকে বলা যায় তাহলে বললি যে আমাদের দেশে গ্রোথ রেট হচ্ছে ৬ শতাংশ । অর্থাৎ আপনি যদি কোনো একটি জিনিস এই বছর ১০০ টাকা দিয়ে কেনেন তাহলে পরের বছর ঠিক একই পরিমাণ জিনিস আপনি কিনবেন ১০৬ টাকা দিয়ে । কিন্তু অপর দিকে লক্ষ্য করলে আপনি দেখবেন যে ব্যাংকের ইন্টারেস্ট বছরে চার শতাংশ ।

অর্থাৎ ব্যাংক আপনার ১০০ টাকায় খাটাচ্ছে কিন্তু মাঝখান থেকে দু টাকা লাভ রাখচে । ঠিক এই নীতি কে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে শেয়ার মার্কেট । ঠিক সেরকমই সম্প্রতি ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে বোঝানো হয়েছে যে আপনি কিভাবে সম্পূর্ণ রকম ভাবে শেয়ার মার্কেটের উপর নির্ভরশীল হয়ে খুব কম সময়ের মধ্যে কোটিপতি হতে পারেন । অনেকেই ভাবেন যে শেয়ার মার্কেট মানেই হয়তো থাকে অনেকটা পরিমাণে রিস্ক থাকে ।

একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই । কিন্তু সেই ভিডিওটি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে যদি শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে আপনার কোনো জ্ঞান নাও থাকে তবুও আপনি শেয়ার মার্কেট এরলাগ করতে পারেন সেই ভিডিওর মাধ্যমে । ও একটি ধারণা পেতে পারেন যার মাধ্যমে আপনি শেয়ার মার্কেটে নিজের অর্থ উপার্জন করতে পারেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button