চাকরি ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে মাশরুম চাষ করেই এখন বছরে 5 কোটি টাকা রোজগার করেন এই যুবতী! রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আজ আপনাদের সামনে এমন এক মহিলা বা যুবতী কথা বলতে চলেছি যিনি কিন্তু অনুপ্রেরণার কারণ হতে পারেন লক্ষ্য লক্ষ্য বেকার যুবক-যুবতী ।নামিদামি মোটা মাইনের একটা চাকরি ছেড়ে শুরু করলেন ব্যবসা ।কিন্তু কেন ?তার কারণ উত্তরাখণ্ডে বন্যা হয়েছিল তখন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তার মন কেঁদে উঠেছিল । তাই বিরক্ত হয়ে চাকরি ছেড়ে তাদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা দিব্যা রাওয়াত।

দিব্যা রাওয়াত, যিনি উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। তিনি অ্যামিটি ইউনিভার্সিটি থেকে সামাজিক কাজে স্নাতকোত্তর করেছেন। কিন্তু চাকরি ছাড়ার পর কি করবেন এমনটা তিনি ভেবে পাচ্ছিলেন না । লোক মুখে শুনেছিলাম মাশরুম চাষের কথা । সে বিষয়ে নিরন্তর গবেষণা করেন তিনি এবং যে জিনিসটা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন সেটি হল যে এই চাষ করতে গেলে পরিশ্রম কম লাগে টাকা পয়সা কম লাগে কিন্তু লাভের পরিমাণ থাকে অনেকখানি ।

তাই বহুদিন ধরে সে বিষয়ে পড়াশোনা করার পর 2016 সালে শুরু করলেন তার প্রথম ব্যবসা মাশরুমের এবং প্রায় তিন লক্ষ টাকা খরচ করে খুলে ফেললেন একটি ল্যাব ।মাশরুম চাষের জন্য কৃষকদের কাছে তিনি পরিচিত মাশরুম গার্ল নামে। দিব্যা তার কোম্পানি সৌম্য ফুড প্রাইভেট লিমিটেড মাশরুম চাষের জন্য তিন লাখ টাকা ব্যয়ে করেন।

দিব্যা বলেন যে তিনি বোতাম, অয়েস্টার, মিল্কি মাশরুমের পাশাপাশি কার্ডিশেফ মিলিটারি মাশরুম চাষ করেন যার দাম বাজারে প্রতি কেজি ৩ লাখ টাকা। দিব্যা জানান, তার কোম্পানি প্রথমে ৪ হাজার কেজি মাশরুম বিক্রি করত এবং গত বছর বিক্রি হয়েছিল ১.২ লাখে। আজ, ৩০ বছর বয়সী দিব্যা রাওয়াতের বার্ষিক আয় ৫ কোটি টাকারও বেশি।দিব্যাকে উত্তরাখণ্ড সরকার মাশরুমের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে ঘোষণা করেছে।

২০১৬ সালে, তিনি স্থানীয় কর্মসংস্থান প্রদান এবং মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির দ্বারা নারী শক্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। দিব্যা জানান, বর্তমানে সারা দেশের ৭ হাজার কৃষক তার সঙ্গে যুক্ত।তার এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত করে প্রতিনিয়ত লক্ষ্য লক্ষ্য বেকার যুবক-যুবতীদের ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button