“সত্যি করেই ড্যাডি বলে ডাকতাম!” – অভিনেতা অভিষেকের অকাল মৃত্যুতে ঝর ঝর করে কাঁদছে গুনগুন! মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:আচমকাই শুটিং ফ্লোরে অসুস্থ হয়ে পড়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন কিংবদন্তি অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 57 বছর। সুদীর্ঘ কয়েক বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে একের পর এক চলচ্চিত্র এবং ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি।

তবে বড় পর্দা থেকে দূরত্ব তৈরি হবার পর ছোটপর্দার ধারাবাহিকগুলোতে পরিচিত মুখ ছিলেন অভিষেক। খরকুটো ধারাবাহিকে তৃনা সাহার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। জানা যায় পর্দার বাইরেও এই রসায়নের খুব একটা পার্থক্য ছিল না। অভিষেক চট্টোপাধ্যায় কে ড্যাডি বলেই মনে করতেন তৃণা সাহা। গতকাল অভিনেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে রীতিমতো হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তৃণা।

অভিনেতাকে শেষ দেখা দেখতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণা সাহা। বলেন,”পর্দায় অভিষেকদা যেমন আমার ড্যাডি ছিল, পর্দার বাইরেও ড্যাডির মতোই ছিল। পরশু দিনও শ্যুটে আমি খুব বকাবকি করেছি। শরীরের একদম যত্ন নিচ্ছিল না।

পরশু দিনও সেটে অভিষেকদা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। আমরা ওকে বিশ্রাম করতে বলি। দুলালদা (লাহিড়ি) ওকে ডেকে আনতে গিয়েছিল। অভিষেকদা তখন দুলালদার গায়েই বমি করে দেয়। আমরা ডাক্তার দেখাই। তার পর বাড়ি পাঠিয়ে দিই। এই অবস্থায় কালকেও শ্যুট করল। ফোনে আমি বকাবকি করেছিলাম মানুষটাকে”।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার খাদ্যে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিষেক। ওই অবস্থাতেই শুটিং চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর বুধবার স্টার জলসার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ইস্মার্ট জোড়িতে সস্ত্রীক শ্যুট করতে উপস্থিত হন অভিষেক। কিন্তু আচমকাই সেখানে তার প্রেসার 80তে নেমে আসে।

সঙ্গে সঙ্গে তাকে কালো কফি দেওয়া হয়।আন্দাজ দুপুর 2:30 নাগাদ তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছিলেন ফ্লোরের চিকিৎসকেরা। কিন্তু হাসপাতালে না ভর্তি হয়ে বাড়িতেই স্যালাইন চালাচ্ছিলেন তিনি। রাত 1 টা বেজে 40 মিনিট নাগাদ আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button