বেকার যুবক যুবতীদের জন্য দারুণ সুযোগ! মাত্র 5 হাজার টাকায় শুরু করুন এই ব্যবসা, পাবেন সরকারের সাহায্য! রইল বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-বর্তমানে নিজের সংসার কিভাবে চালাবে তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছিনা অনেকে । একটা সমীক্ষা বলছে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ এ ৯৭% শতাংশ মানুষের রোজকার অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে । যা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশবাসীর কপালে । চাকরি ছাড়ার পর অনেকে সংসার চালানোর জন্য হাতের সামনে যা কিছু পাচ্ছে সেগুলো দিয়ে ব্যবসা শুরু করছে ।

কিন্তু অনেকের ধারণা যে ব্যবসা মানে মোটা অংকের । কিন্তু এবার থেকে সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হবে ।এমন এক ধরনের ব্যবসা রয়েছে যেখানে আপনি ৫-৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে মাসে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন । কথাটা অবাস্তব মনে হল এর বাস্তবতা রয়েছে চরম পর্যায়ে ।

যেমন ধরুন মাটির ভাঁড়ে ব্যবসা ।আমরা জানি যে মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে চায়ের দোকান ও আরো বিভিন্ন ফাস্টফুডের দোকানে এখন মাটির ব্যবহার করা হচ্ছে । প্লাস্টিকের ভাঁড় ও কাগজের ভাঁড় রয়েছে কিন্তু তার পাশাপাশি মাটির ওপর জোর দিচ্ছে অনেকে । যেহেতু এই মাটির ভাঁড় পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না তাই সরকারের পক্ষ থেকেও এর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে ।

একশোটা মাটির ভাঁড় এর দাম ৫০ টাকা । এভাবে প্রতি মাসে কয়েক হাজার মাটির ভাঁড় তৈরি করে আপনি রীতিমত ৫০,০০০ টাকার মতন উপার্জন করতে পারেন । কিন্তু তৈরি করবেন কিভাবে? সে বিষয়ে সরকার অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারকে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল বেশ কিছুদিন আগে । সেখানে এই ব্যবসাকে তুলে ধরার জন্য জোর দেওয়া হয়েছিল ।

এবং বলা হয়েছিল যে সরকারের তরফ থেকে মাটির ঘর তৈরি করার জন্য একটি ইলেকট্রিক মেশিন দেওয়া হবে অত্যন্ত কম দামে মিলবে সরকারের থেকে । এবং এটি খুব সহজে অল্প সময়ে অনেকগুলি মাটির ঘর তৈরি করতে প্রস্তুত ।মূলত চায়ের দোকান বা পাঞ্জাবী ধাবা গু-লিতে মাটির ভাঁড়ে ব্যবহার বেশি মাত্রায় দেখা যায় ।

এমনকি এমন অনেক চায়ের দোকান আছে যেখানে চায়ের ভাঁড় এর দাম শুরু হয় ৩০ টাকা থেকে । সে ক্ষেত্রে মাটির ভারের দাম আলাদা হয় আবার পাঁচ টাকা চা এর ক্ষেত্রে মাটির ভার এর দাম আলাদা হয় ।

সব মিলিয়ে আপনি যদি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন তাহলে আপনি বেশ ভালো উপার্জন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করতে হবে এবং থাকতে হবে কিছুটা পরিমান জায়গা তাহলে বাজিমাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button