আরও শক্তি সঞ্চয় করে ধীরে ধীরে বাংলার উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল ঘূর্ণিঝড়! কি বলছে আবহাওয়া দপ্তর? জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন ,:-বেশ কিছুদিন আগে জাওয়াদ উড়িষ্যা উপকূলে আছড়ে পড়ে । যদিও অতি নিম্ন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে নি । যার ফলে ভিজেছিল পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গা । পরোক্ষভাবে প্রভাব পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গের উপর ।

কিন্তু আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন যে শুধুমাত্র জাওয়াদ নয় এরপর সময় যাবে ততই বাড়বে দুর্যোগের প্রবণতা ।গ্রীষ্মকালেও এই দুর্যোগের পরিমাণ বেড়ে যাবে সময়ের সাথে সাথে ।ক্রমশ অশান্ত হয়ে উঠছে ভারত মহাসাগর এবং আরব মহাসাগর যার ফলে একাধিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সৃষ্টি হবে আগামী দিনে ।

কিছুদিন আগে ফনি, তাওকেটে ,নিসর্গ মতন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় গুলি আছড়ে পড়েছিল ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তরে কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করলে আপনারা ভালো রকম ভাবে বুঝতে পারবেন যে যত সময় যাচ্ছে ততই কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা বাড়ছে । এর কারণ কি বিশেষজ্ঞরা তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিস্তারিতভাবে ।

129 বছরের ইতিহাসে ঘূর্ণিঝড়ের পরিমাণ যার লক্ষ্য করা গেছে বর্তমান সময়ে ঘূর্ণিঝড়ে প্রবণতা ও ফ্রিকোয়েন্সি অত্যধিক মাত্রায় বেড়েই চলেছে।আবহবিদরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ত্রমবর্ধমান তাপমাত্রাই দায়ী ঘূর্ণিঝড়ের বাড়বৃদ্ধির জন্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অশান্ত হয়ে উঠছে সাগর।

ভারত মহাসাগর থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরও অশান্ত। সমুদ্র গর্ভের তাপমাত্রাও বাড়ছে। ফলে সাগর অশান্ত এবং অস্থির হয়ে উঠছে। তারই প্রভাবে নিম্নচাপ ক্রমই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হচ্ছে।বিশেষজ্ঞরা, ভারতের পশ্চিম উপকূলের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও গুজরাট নিয়েই বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বঙ্গোপসাগরের উপকূল অর্থাৎ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের পূর্ব উপকূলে তো ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রবণতা ছিলই।তবে আগামী দুই দশক ধরে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা 1.5 সেলসিয়াস বাড়বে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button