আপনি কি জানেন এই রোগের রোগীদের 500 টাকা করে ভাতা দেয় রাজ্য সরকার?

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গে প্রতিনিয়ত একাধিক রোগের আবির্ভাব হচ্ছে । কখনো কখনো কোন কোন রোগ অত্যন্ত সাধারণ হলেও এমন কিছু ধরনের রোগ রয়েছে যেগুলোর অত্যন্ত ছোঁয়াচে অর্থাৎ একজনের থেকে অন্যজনের সংক্রমণ খুব দ্রুত হয় ।তবুও বেশ কিছু মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের জীবনের সাথে সাথে অন্যদের জীবন কেউ বিপদের মুখোমুখি ফেলে দিচ্ছে ।

ঠিক তেমনই একটি রোগ হল যক্ষ্মা । যক্ষ্মা অত্যন্ত সংক্রমিত একটি রোগ অনেকেই এটি লুকিয়ে রাখে । তাই যক্ষা নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছেনা রাজ্যের বুকে ।এবার থেকে স্বাস্থ্য দপ্তরে তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে যার মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে “নিক্ষয়” প্রকল্পের মাধ্যমে উৎসাহ ভাতা হিসেবে 500 টাকা করে দেওয়া হবে ওষুধ এবং বেসরকারি প্যাথ ল্যাব গুলিকে যদি তারা যক্ষ্মা রোগীর সন্ধান দিতে পারে।

‘নোটিফায়েবল ডিজিজ’ হওয়া সত্ত্বেও বেসরকারি ক্ষেত্রে চিহ্নিত হওয়া অসংখ্য যক্ষ্মা রোগীর রোগটা ধরা পড়ার তথ্যই সরকারের কাছে পৌঁছয় না। অথচ, বহু ওষুধের দোকান ও বেসরকারি প্যাথ ল্যাব ঘটনাচক্রে জানতে পারেন নতুন যক্ষ্মা রোগীর কথা। কিন্তু সরকারকে সে কথা জানানোয় অনীহা রয়েছে তাদের।

তাই এবার থেকে যক্ষ্মা রোগীদের তথ্য সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে ওষুধের দোকান ও বেসরকারি ল্যাবগুলিকে প্রতিমাসে রোগীপ্রতি ৫০০ টাকা উৎসাহ ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করল স্বাস্থ্য দফতর। রাষ্ট্রীয় যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচি ‘নিক্ষয়’-এর অধীনে এই টাকা দেওয়া হবে ওষুধের দোকান ও বেসরকারি প্যাথ ল্যাবগুলিকে।

সোমবার এই সংক্রান্ত আদেশনামা বেরিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর থেকে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে ‘এস্টিমেটেড’ যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ৷ কিন্তু সরকারের কাছে এর মাত্র অর্ধেক রোগীর তথ্যই মজুত রয়েছে৷ স্বাস্থ্যকর্তাদের সন্দেহ, বাদ বাকি অর্ধেক রোগীকূলই ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্য দায়ী৷ তাঁরা নিজেরাও সকলে সুস্থ হন না, আবার জনসমাজেও সংক্রমণ ছড়ান৷

TB নির্মূলকরণে মূল অন্তরায় এঁরাই৷ সরকারের তরফে বহু বার বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রের নানা স্তরের অংশীদারদের প্রতি এ বিষয়ে সরকারকে সহায়তা করার আবেদন করা হলেও ফল মেলেনি।তাই বিকল্প পথ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর এবং এতে যে ফল ভালো হবে তেনকনটা অনুমান করছে অনেকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button