ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন? আগে জেনে নিন এই 21 টি সুবিধা-অসুবিধার কথা! রইল ভিডিও সহ বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:কেন্দ্র সরকারের কিছু বিশেষ প্রকল্প বা সুবিধা রয়েছে যা হয়ত অনেক সাধারন মানুষের অজানা। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বলব এরকমই একটি ই শ্রম কার্ডের কথা। প্রসঙ্গত এই কার্ডের মাধ্যমে একজন শ্রমিক নানান ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন। শ্রমিকদের তথ্য সঞ্চয় করে রাখার জন্য এই কার্ড বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য বলতে শ্রমিকের নাম, কাজের অভিজ্ঞতা প্রভৃতি সম্পর্কে লেখা থাকে।ই শ্রম কার্ড হচ্ছে পুরো ভারতবর্ষের অসংগঠিত শ্রমিকদের নিয়ে গঠিত পোর্টাল।

এটি হবে একজন শ্রমিকের স্বতন্ত্র পরিচয়। এই কার্ডে লগইন করার সাথে সাথেই শ্রমিক এর সকল তথ্য সরকারের কাছে চলে যাবে। তবে এই কার্ডের জন্য শ্রমিকের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা থাকা বাঞ্ছনীয়।প্রথমত শ্রমিকের বয়স অবশ্যই 16 থেকে 59 বছরের মধ্যে হতে হবে। একমাত্র শ্রমিক যদি আয়কর প্রদান না করে থাকেন তাহলে আবেদন করতে পারবেন এই কার্ডের জন্য। এবং অবশ্যই অসংগঠিত শ্রমিক হওয়া প্রয়োজন।

এই কার্ড তৈরি করার জন্য বিশেষ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। নিম্নে সেই ডকুমেন্টগুলি উল্লেখ করা হলো।ই শ্রম কার্ড কে মূল্যায়ন করা হয়েছে দুই ভাগে প্রথমত কাজের ভিত্তিতে এবং দ্বিতীয়ত সামাজিক সুরক্ষার ভিত্তিতে কাজের ভিত্তিতে দেখতে গেলে যে সমস্ত সুবিধা গুলি আপনারা পাবেন সেগুলি হল ১০০ দিনের কাজ পাবেন প্রতিবছর। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক লোন পাবেন। দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রকল্পের মাধ্যমে আপনি আপনার ছেলেমেয়েদেরকে ট্রেনিং করাতে পারেন এবং ট্রেনিং এর শেষে নিশ্চিত চাকরি রয়েছে।

আপনার বয়স যদি ১৮ থেকে ৪৫ বছর হয়ে থাকে তাহলে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা মাধ্যমে আপনি ট্রেনিং করতে পারেন চাকরির এবং এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে। তার পাশাপাশি আপনাকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে যা আপনার ভবিষ্যতে কাজে আসবে।অপরদিকে সামাজিক সুরক্ষার দিক দিয়ে যে মূল্যায়ন করা হয়েছে সেখানে আপনি যে সমস্ত সুবিধাগুলো পাবেন সেটি হল এখানে আপনি প্রধানমন্ত্রী শ্রমযোগী মানধন যোজনা সুবিধা পাবেন।যেখানে অসংগঠিত শ্রমিকের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে পেনশন পাবেন।

তার পাশাপাশি ন্যাশনাল পেনশন স্কিম এর সুবিধা রয়েছে।রয়েছে অটল পেনশন স্কিম এর সুবিধা। যেখানে আপনি প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন। এর পাশাপাশি সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা রয়েছে এই প্রকল্পের আওতায় ঠিক এই ধরনের একাধিক প্রকল্প রয়েছে এই কার্ডের মধ্যে।এই কার্ড তৈরি করতে গেলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন হবে শ্রমিকের আধার কার্ড।

এছাড়াও ব্যাংকের পাসবুক এবং ফোন নম্বর এর প্রয়োজন হবে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরাও এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও কৃষি শ্রমিক, শাকসবজি ও ফল বিক্রেতা, পরিযায়ী শ্রমিক, অটো বা রিক্সা চালক, খবরের কাগজ বিক্রেতা, আশা কর্মী বা নাপিত, গৃহকর্মী ,ধাত্রী বা দাই, ইটভাটার শ্রমিক, ছুতোর মিস্ত্রি, জেলে প্রভৃতি মানুষেরাও এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button